কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের নব যোগদানকৃত সচিবের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ীর বিশেষ প্রতিনিধি দল।

545

 

এ.বি.এম.সিদ্দীকুল্যাহ সাগর,
নোয়াখালী, জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ৯/৭/২০২০ সকাল কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের নব যোগদানকৃত সচিব জনাব মোঃ আমিনুল ইসলাম খান কে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান স্বাশিপ এ-র প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ তেলাওয়াত হোসাইন খানের নেতৃত্বে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক পরিষদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইবতেদায়ী শিক্ষক পরিষদ সভপতি এস এম জয়নুল আবেদীন জেহাদী,মহাসচিব মোঃ শামছুল আলম,মোঃ মোশারফ হোসেন,ডাঃ মোঃ সাদেক,মোঃ সাইফুল ইসলাম,আলী আহমদ, নুরুল কবির,প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ সচিব স্যারের উদ্দেশ্যে ইবতেদায়ী বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।
বিশেষ করে এমপিও ভুক্তির বিষয়টি ত্বরান্বিত করার অনুরোধ জানান।

সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম খান বলেন যত দ্রুত সম্ভব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সমস্যা সমাধান করা হবে।

উল্লেখ্য যে.
১৯৯৪ সালে একই পরিপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে গড়ে ওঠা রেজিস্ট্রার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা ৫০০ টাকা ভাতা পেতেন। রেজিস্ট্রার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন ধাপে ধাপে বাড়তে থাকে। ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়। কিন্তু একই সময়ে রেজিস্ট্রিকৃত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোর ভাতা ৫০০ টাকাই থেকে যায়। এমনকি ধর্মের লেবাসধারী চারদলীয় জোট সরকারও তাকায়নি চরম অবহেলিত ইবতেদায়ি শিক্ষকদের দিকে। রেজিস্ট্রার্ড স্কুলগুলো সরকারীকরণের ঘোষণার দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে সম্পূর্ণ জাতীয়করণের ঘোষণাও করেছিলেন। সেই থেকে ইবতেদায়ি শিক্ষকরা নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন।

বর্তমান সরকার ৪ হাজার ৩১২টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসাকে ব্যানবেইসের আওতায় এনে নীতিমালা প্রণয়ন করে এমপিওর আশা জাগিয়েছে। এ সংক্রান্ত নীতিমালায় বলা হয়েছে, ‘নীতিমালায় নেই তবু এমপিও পাবেন আরও ৪ হাজার ৩১২টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার সাড়ে ২১ হাজার শিক্ষক’ (দৈনিক যুগান্তর : ১৫ জুন, ২০১৯)। কিন্তু তা আজ ও কার্যকর হয়নি।