দেওয়ানগঞ্জের ডাংধরায় বন্যার্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

135

 

মোঃ ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ বুধবার ৮জুলাই জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাংধরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মোঃ মাসুদ, রিলিফ অফিসার মোঃ ওসমান গনি, ইউপি সচিব মোঃ আসাদুজ্জামান, ইউপি মহিলা সদস্য ছাহেরা বেগম, সদস্য নাছিমা বেগম, সদস্য মাফিয়া বেগম, ইউপি সদস্য আয়নাল হক, সদস্য আজিজুর রহমান প্রমুখ।

চেয়ারম্যান অটোমেটিক থার্মোমিটার দ্বারা নিজেই উপকার ভোগীদের কপালে ধরে তাপ মাত্রা মাপেন এবং নাম সঠিক আছে কিনা, তা যাচাই-বাছাই করেন। ডাংধরা ইউনিয়নের সচিব মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন- দীর্ঘদিন করোনার প্রাদুর্ভাব ও আগাম বন্যার কারণে প্লাবিত এলাকার মানুষ গুলো পানিবন্ধী জীবন যাপন করছেন। ডাংধরা ইউনিয়নের প্লাবিত এলাকার জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তালিকা তৈরি করে ১০০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

রিলিফ অফিসার মোঃ ওসমান গনি বলেন- উপকার ভোগীদের ১০০ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়। আমি পরিদর্শন করেছি। আজ ১০০ পরিবারকে শুকনো খাবার দেয়া হয়েছে।
ডাংধরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মোঃ মাসুদ বলেন – আমি নিজেই অটোমেটিক থার্মোমিটার দ্বারা প্রতিটি উপকার ভোগীর কপালে তাপমাত্রা মেপেছি, তবে ৩৬.৫ এর বেশি তাপ মাত্রা পাওয়া যায়নি।তিনি আরও বলেন- ডাংধরা ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি বন্যা প্লাবিত হয়েছে, যার কারণে শুকনো খাবারের চাহিদা বেশি। তিনি বলেন- শুকনো খাবার বিতরণে যদিও একটু সাময়িক সমস্যা হয়েছিলো কিন্তু সমস্যা সমাধান হয়েছে। এর আগে ১,২,৩ ও ৫ নং ওয়ার্ডে কিছু শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এখন ৪,৬,৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া শুকনো খাবারের ১০০ বস্তা বিতরণ করা হয়। ডাংধরা ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বেশি হওয়ার কারণে সমস্যা সম্মুখীন হতে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন শুকনো খাবার সামগ্রী জনগণের জন্য আরও বরাদ্দ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।