গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
বাবা মার ইচ্ছেতে মাজেদা খাতুনকে ২২ বছর আগে ২০ বছর বয়সে রসুলপুর ইউনিয়নে বড় দাউদপুর গ্রামে বয়স্ক জনৈকহেদ সরকারের সঙ্গে বিবাহ দেন।বিবাহিত জীবনে সুখেই ছিল তাদের সংসার জীবন। সংসারে কোলজুড়ে আসে দুটি কন্যা সন্তান।স্বামীর মৃত্যুর পরে প্রতিবেশি ভাতিজা রব্বানীর কু-দৃষ্টি পড়ে মাজেদার উপরে।দিনের পর দিন মাজেদাকে সময়ে অসময়ে বিভিন্ন অযুহাতে তার সঙ্গ পাবার চেষ্টা করে।বসে ও আনতে সক্ষম হয় ধূর্ত রব্বানী।বিভিন্ন বাহানায় তাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।কিন্তু স্ত্রী হিসেবে তাকে গ্রহন করতে অনিচ্ছুক।দীর্ঘদিন এমম ভাবে চলার পরে অবশেষে ০৮.১০.২০২৩ তারিখ রাত্রী ৭:৩০ ঘটিকায় রব্বানীর বাড়িতে এসে স্ত্রী হিসেবে মর্যাদা চাইলে, সে অস্বীকার করে এবং তাকে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ বাজে কথা বলে ও তাকে তিক্ষা দেয়।মাজেদাকে আত্বহত্যার করার জন্য বিভিন্ন প্ররোচনা দেয়।বাধ্য হয়ে মাজেদা মনের ক্ষোভে নিজের জীবনের প্রতি ঘৃনা,সন্তানদের মায়া ত্যাগ করে রব্বানীর বাড়ির উঠোনে ইঁদুর মারা গ্যাসের ট্যাবলেট পান করে। গুরুত্বর অবস্থা হলে রংপুর মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানে মৃত্যু বরন করে।মাজেদার বড় মেয়ে রেখা মনি বাদী হয়ে থানায় রব্বানীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।সাদুল্লাপুর থানার মামলা নং-০৬,তারিখ-০৯.১০.২০২৩ খ্রি:।আসামীকে টিম সাদুল্লাপুর থানা অভিযানে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়।