কুড়িগ্রাম জেলা( প্রতিনিধি)
ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের ঝুলন্ত আলামিনের মরদেহ আত্মহত্যা নয় বরং তাকে শ্বাসরোধ করে, হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর এমন রিপোর্ট দিয়েছেন মেডিকেল এর ময়নাতদন্তের টিম। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের দুই পাহারাদার একজন গ্রাম পুলিশ ও একজন নাইট গার্ড কে ভূরুঙ্গামারী থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গত ( ১৯মে) সকাল (০৬) দিকে ইউনিয়ন পরিষদের ভবনে পানির ট্যাংকের পাইপের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত্যু আল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
নিহতের মা আনিতা বেগম জানায়, আমার ছোট ছেলে আল আমিন(২৪) মাঝে মধ্যে
চায়ের দোকানে কাজ করতো,গত (১৮ মে)রাতে আমার ছেলে বাড়ি থেকে ধামের হাটের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর বাড়িতে ফেরেনি।
পরের দিন সকালে ঘুম ভাঙতেই শুনতে পাই আমার ছেলে ইউনিয়ন পরিষদে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এলাকাবাসীর পরামর্শে আমি থানায় গিয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করি,যাহার মামলা নং ০৫/২০২৩
গত বুধবার (১২ জুলাই) থানায় গিয়ে জানতে পাড়ি আমার ছেলেকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে।আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের বিচার চাই , সঠিক তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতার করে যেন ফাঁসি দেওয়া হয়।
উপরোক্ত বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রুহুল আমিন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী নিহত আল আমিন কে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঐ রাতের ডিউটিরত, গ্রাম পুলিশ মোঃ সোলায়মান ( ৩৯) আলী ও নাইট গার্ড মোঃ কিসমত আলী(৫১)কে থানায় ডেকে আনা হলে তাদের কথায় কিছুটা গড়মিল পেলে তাৎক্ষণিক আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।