1. deb442784@gmail.com : Arpita Ded : Arpita Ded
  2. support@dailyhellobangladesh.com : dailyhellobangla :
  3. mdfarukhossain096@gmail.com : faruk faruk : faruk faruk
  4. faruksurjo79@gmail.com : farukahmed Ahmed : farukahmed Ahmed
  5. fojoluddin77@yahoo.com : MdFojluuddn Uddin : MdFojluuddn Uddin
  6. jssksngo@yahoo.com : Mist. Jahanara Jahanara : Mist. Jahanara Jahanara
  7. mafazzalali24@gmail.com : Mafazzal Ali : Mafazzal Ali
  8. somratmr71@gmail.com : Md somrat Md somrat : Md somrat Md somrat
নৌকাই দেবে স্মার্ট বাংলাদেশ - দৈনিক হ্যালো বাংলাদেশ
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কালিগঞ্জ এর পক্ষে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাহিনুর ইসলাম শাহিন যুব সমাজের আইকন ফারহান উদ্দিন আহমদ পাশা লালমনিরহাট- বাশীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারুণ্যের আইকন নবিউল করিম লেবু তুষভান্ডার ইউনিয়ন বাসীকে পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ভোটমারী ইউনিয়ন বাশীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আব্দুল বাছেদ পাটোয়ারী কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসক ইদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা বার্তা জানান মোছা: জাকিয়া সুলতানা তারুণ্যের আইকন মমতাজ আলী শান্ত.. ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রৌমারীতে আ.লীগ-বিএনপি’র সমন্বয়ে স্থল বন্দর পরিচালনা কমিটি : গাড়ি প্রতি চাঁদা ৩৭’শ টাকা আত্রাই পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়তে ইউএনওর নানা পদক্ষেপ লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক কর্তৃক সাফ নারী চ্যাম্পিয়ানশীপ মুনকি আক্তার-কে সংবর্ধনা How To Win From Slots? 10 Leading Tips For Slot Machine Machine

নৌকাই দেবে স্মার্ট বাংলাদেশ

দৈনিক হ্যালো বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৮৪ বার পঠিত

নৌকায় ভোট দিলে ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, নৌকা স্বাধীনতা দিয়েছে, নৌকা উন্নয়ন দিয়েছে। নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। এ নৌকাই দেবে ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ। স্মার্ট জনগোষ্ঠী হবে, স্মার্ট সরকার হবে, স্মার্ট অর্থনীতি হবে, স্মার্ট সমাজ হবে। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করে বাংলাদেশকে আধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন, উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ আমরা তৈরি করব। নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও সেবা করার সুযোগ দেবেন।

সোমবার বিকালে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বারবার ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এজন্যই এই বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলতে পারে। আজকের বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাওয়ার বাংলাদেশ। বিকাল ৩টা ১৯ মিনিটে জনসভামঞ্চে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুরুতেই তিনি ২৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং পাঁচটি নতুন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে তিনি বক্তৃতা শুরু করেন।

বাংলার মানুষকে নিজের পরিবার মনে করে তাদের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করছেন জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বারবার আপনাদের সেবার সুযোগ পেয়েছি। আমার চাওয়ার কিছু নেই। মা-বাবা সব হারিয়েছি। তবুও আমি ফিরে এসেছি। তিনি বলেন, যে মানুষগুলোর ভাগ্য গড়ার জন্য আমার বাবা সারা জীবন কষ্ট করেছেন, আমি তাদের ভাগ্য গড়তে চাই। ক্ষুধা-দারিদ্র্য দূর করে উন্নত জীবন দিতে চাই। দেশের মানুষ ভালো থাকলে সেটাই আমার পাওয়া।

বিএনপি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় : নির্বাচন বানচাল করতে বিএনপি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় জানিয়ে দলটির নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থেকে অতীতের মতো প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বিএনপিকে নেতৃত্বহীন দল আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় একটা বিষয় নজরে রাখতে হবে। বিএনপি-জামায়াত ২০০৮ সালেই ৩০টি সিট পেয়েছে। তারা জানে যে, তাদের নেতা নেই। মুণ্ডুহীন একটা দল। একটা পলাতক আসামি, একটা কারাগার আসামি। সেই দল এই দেশের নির্বাচন হতে দিতে চায় না। একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়।

মানুষকে পোড়ানোর চেষ্টা করলে ওই হাত পুড়িয়ে দেবেন : প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে-কেউ যদি গাড়ি আর মানুষকে আগুনে পোড়াতে চেষ্টা করে, ওই হাত ওই আগুনে পুড়িয়ে দেবেন। উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে দেবেন। যেন আর কেউ সাহস না পায় এভাবে মানুষের ক্ষতি করতে। এ সময় জনগণের জানমাল রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশে থেকে সহযোগিতা করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, আমি দেখেছি সেই পোড়া মানুষগুলোর দুরবস্থা। চোখে পানি রাখা যায় না। ওদের মধ্যে মনুষ্যত্ব বোধ নেই। কীভাবে পুলিশকে হত্যা করেছে, সাংবাদিকদের পিটিয়েছে। ওই ধরনের ঘটনা যাতে আর ঘটাতে না পারে, সেজন্য প্রতিটি এলাকায় আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মানুষের নিরাপত্তা দেবেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আপনারা নিরাপত্তা দেবেন।

বিএনপি সন্ত্রাসী দল, তাদের কোনো মনুষ্যত্ব নেই : প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির কাজ হলো আগুনে মানুষ পুড়িয়ে মারা। ২৮ অক্টোবর কীভাবে পুলিশকে পিটিয়ে পিটিয়ে মেরেছে। ৪৫ জন পুলিশকে আহত করেছে। সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করেছেন, তাদের পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। রাজারবাগ হাসপাতালে হামলা করেছে, অ্যাম্বুলেন্স পুড়িয়ে দিয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর ওপর হামলা করেছে। এদের মধ্যে এতটুকু মনুষ্যত্ব নেই। অন্তঃসত্ত্বাসহ অ্যাম্বুলেন্স পুড়িয়ে দিয়েছে। যা তারা শুরু করেছিল অতীতে। নির্বাচন বন্ধ করতে তখন হাজার হাজার স্কুল পুড়িয়েছিল, সরকারি-বেসরকারি অফিস পুড়িয়েছিল; কিন্তু নির্বাচন বন্ধ করতে পারেনি। জনগণ বাধা দিয়েছে। তারা সফল হয়নি।

বিএনপি ইসরাইলের কাছ থেকে মনে হয় শিক্ষা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সন্ত্রাসী দল বিএনপি-জামায়াত জোট তারা মানুষের জন্য কাজ করে না। একজন এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে কারাগারে। আরেকজন মুচলেকা দিয়ে রাজনীতি করবে না বলে লন্ডনে বসে দুর্নীতির টাকা দিয়ে চলছে। তারা এখানে আগুন দেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে। ফিলিস্তিনে ইসরাইল যেমন হাসপাতালে বর্বর হামলা করেছে, বিএনপিও একই কায়দায় হাসপাতালে হামলা করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করেছে। ইসরাইল যেভাবে ফিলিস্তিনের হাসপাতালে আক্রমণ করেছে, তেমনই বিএনপিও একই কাজ করছে। বিএনপি ইসরাইলের কাছ থেকে মনে হয় শিক্ষা নিয়েছে। তাহলে এরা কারা? এরা কি বাংলাদেশ চায় নাকি ধ্বংস চায়? ওরা বাংলাদেশের ধ্বংস চায়।

আ.লীগ সরকার ছাড়া আর কে পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়েছে : বক্তব্যের একপর্যায়ে বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনকর্মীদের কাছে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, তাদের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া আর কোন সরকার বেতন বাড়িয়েছে? প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেখি পোশাক শ্রমিকরা আন্দোলন করে, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন-১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে দেখি মজুরি ছিল মাত্র ৮০০ টাকা। আমি সেটা বাড়িয়ে ১৬০০ টাকা করেছিলাম। বিএনপি ও খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকতে তো এক টাকাও বাড়ায়নি। জিয়া-এরশাদও বাড়ায়নি। সেটুকু বাড়িয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। প্রথমবার ৮০০ থেকে ১৬০০। দ্বিতীয়বার সরকারের এসে ১৬০০ থেকে ৩২০০ টাকা বাড়িয়েছিলাম। এরপর আবার তৃতীয় দফায় ৫ হাজার ৩০০ টাকা করেছিলাম। এরপর ৮ হাজার ২০০ টাকা করেছিলাম। এবার তা বৃদ্ধি করে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে।

আন্দোলনে কারা উসকানি দিচ্ছে, খুঁজে বের করা উচিত : শেখ হাসিনা আরও বলেন, এটা বেসরকারি খাত, তবুও মালিকদের বলে, অনুরোধ করে, বুঝিয়ে শ্রমিকদের মজুরি আমরা বৃদ্ধি করেছি। সরকারি কর্মচারীদের বেতন মাত্র ৫ ভাগ বাড়িয়েছি। আর পোশাক শ্রমিকদের বেতন ৫৬ ভাগ বাড়িয়েছি। তাহলে তাদের আপত্তি কোথায়? এ সময় আন্দোলনকারীদের মধ্যে কারা উসকানি দিচ্ছে, এদের খুঁজে বের করা উচিত বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১৯টি শিল্প কলকারখানা তারা ভেঙেছে, এই ধ্বংস কারা করছে? সেটাই খুঁজে বের করা দরকার।

কমিউনিটি ক্লিনিক খালেদা জিয়া বন্ধ করেছিল : দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, সেজন্য সামাজিক নিরাপত্তা খাতের মাধ্যমে তার সরকারের নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃষকদের ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। ২ কোটি ৬২ লাখ কৃষক উপকার পাচ্ছেন। তারা অল্প টাকায় সার কিনতে পারছেন, কৃষি উপকরণ কিনতে পারছেন। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে ’৯৬ সালে কমিউনিটি ক্লিনিক করে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে মা ও শিশুরাই বেশি লাভবান হচ্ছে। ২০০১ সালে এসে খালেদা জিয়া তা বন্ধ করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘যারা কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা নেবে, তারা নৌকায় ভোট দেবে’! আমার প্রশ্ন-যারা সেবা নিতে যায়, তারা কি আওয়ামী লীগ-বিএনপি চিন্তা করে? তাহলে বোঝেন তারা কতটা হীনম্মন্যতায় ভোগে।

খুলনাবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার : খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নে অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুলনার উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছি। আজ যা উদ্বোধন করলাম, তা আপনাদের জন্য উপহার। তিনি বলেন, পদ্মাসেতু ও মধুমতী সেতু নির্মাণের ফলে আঞ্চলিক সুবিধা খুলনাবাসী পাচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। এতে যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে। খুলনা-মোংলা রেলপথ কাজ শুরু হয়েছে। খুলনা থেকে মোংলা পোর্ট পর্যন্ত রেললাইন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উদ্বোধন করে দিয়েছি। আমরা একটা এক্সপ্রেসওয়ে ‘সুন্দরবন এক্সপ্রেস’ নামে করছি, যাতে যাতায়াত সহজ হয়। নদীভাঙনে খুলনা বিভাগের জেলাগুলো যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য সময়মতো ড্রেজার ও নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনের আগে বিএনপি বিভিন্ন ওয়াদা দিলেও তা পূরণ করে না উল্লেখ করে সেটি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, ওদের চরিত্র বদলাবে না। নির্বাচনের আগে অনেক ওয়াদা করে যায়। এই খুলনা থেকে খালেদা জিয়া বলেছিল, ক্ষমতায় গেলে শিল্পকারখানা চালু করবে। উলটো সব বন্ধ করেছিল। এটাই হচ্ছে তাদের চরিত্র।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিতা হারানোর বেদনা ভুলে বাংলার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ১৫ বছরে দেশ অনেক বদলে গেছে। এই রূপান্তরের সত্যিকারের রূপকার বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আর মানুষ অনেক কিছু পেয়েছে। শুধু দু-একটি নদী খনন প্রয়োজন। আগামী দিনে শেখ হাসিনা এলে সবকিছু হবে। সেতুমন্ত্রী বলেন, খেলা হবে, খেলা হবে সুন্দরবনে। খেলা হবে, খেলা হবে সারা দেশে। কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা হয়েছে, এখন সেমিফাইনাল খেলা হবে। আপনারা প্রস্তুত আছেন?

বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র ও বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ-সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, খুলনার মানুষের সঙ্গে শেখ হাসিনার আত্মার সম্পর্ক। খালেদা জিয়া বলেছিল মোংলা পোর্ট ভরাট হয়ে গেছে, বন্ধ করে দাও। আর এখন শেখ হাসিনা সেই পোর্ট চালু করেছেন। দেশের ৪০ ভাগ আমদানিকৃত মালামাল খালাস হয় এই বন্দরে। অর্থনৈতিক অবস্থা ফিরে পেয়েছে এ অঞ্চলের মানুষ। শেখ হেলাল আরও বলেন, আগে ঢাকায় যেতে ১২-১৪ ঘণ্টা সময় লাগত। এখন কৃষক-মৎস্যজীবীরা উৎপাদিত ফসল নিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করে ফিরে আসছেন। তিনি বলেন, খুলনার জনসভায় মানুষের যে আস্থা-বিশ্বাস আমার বোনের প্রতি, তা নিয়ে আমার কথা বলার ভাষা নেই। তিনি বঙ্গবন্ধুসহ মুক্তিযুদ্ধ ও ১৫ আগস্টে নিহতদের স্মরণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ বলেন, সামনের দিনগুলো কঠিন চ্যালেঞ্জের। নির্বাচন হবে কঠিন চ্যালেঞ্জিং। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে বলতে চাই, নেতাকর্মীরা সব ঐক্যবদ্ধ আছে। তারা যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রস্তুত। জনগণের ভোটে আপনি পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন, ইনশাল্লাহ।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, দানবের কোনো মানবতা থাকে না। বিএনপি-জামায়াত দানব। তারা সৃষ্টি করতে জানে না, ধ্বংস করতে পারে। আগামী দিনে দানবরা যেন এই বাংলার ক্ষমতায় আসতে না পারে, এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান বলেন, বিএনপি-জামায়াত অবরোধ ডেকেছে। তারা গাড়ি পোড়াচ্ছে। গাড়ি পুড়িয়ে আর মানুষ হত্যা করে তারা নাকি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে! তারা সন্ত্রাসী, তারা গণতন্ত্র ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারছেন। আগামী দিনেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। উন্নয়নের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকায় ভোট দিতে হবে।

সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা খুনি জিয়াউর রহমানের কুপুত্র তারেক আবার রক্ত চায়। এরা নির্বাচন ভণ্ডুল করতে চায়, এদের স্লোগান হচ্ছে টেক ব্যাক বাংলাদেশ। এরা বাংলাদেশকে পিছিয়ে নিতে চায়। কিন্তু আমরা তা হতে দেব না। জাতীয় সংসদের চিপ হুইপ নূরে আলম চৌধুরী লিটন বলেন, খুলনা অঞ্চলে একসময় ছিল ত্রাসের রাজত্ব।

যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি-জামায়াতের খুনের রাজনীতি আর তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহবান-আসুন টানা পঞ্চমবারের মতো শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করি।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার মো. আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে এবং খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজিত অধিকারীর সঞ্চালনায় বিশাল এ জনসভায় আরও বক্তব্য দেন সংসদ-সদস্য শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল, শেখ সারহান নাসের তন্ময়, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এসএম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মাশরাফি মুর্তজা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, জলবায়ু, বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য নির্মল চ্যাটার্জি, আমিরুল ইসলাম মিলন, পারভিন জামান কল্পনা, গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ-সদস্য নারায়ণ চন্দ্র, সংসদ-সদস্য সালাম মুর্শিদী, সংসদ-সদস্য আখতারুজ্জামান বাবু, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ভূঁইয়া হেমায়েত উদ্দিন, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিঠু প্রমুখ।

বেলা পৌনে ১১টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের পর্ব শুরু হয়। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, ইতিহাস বলে সেই নাম শেখ মুজিবুর রহমান-এই গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বেলা পৌনে ১২টায় পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। এরপর গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক থেকে পাঠ করা হয়। পরে স্থানীয় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা বক্তব্য শুরু করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক হ্যালো বাংলাদেশ © গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
Theme Customized BY Daily Hello Bangladesh
Bengali BN English EN