লালমনিরহাট প্রতিনিধি : পাওনা টাকা আদায়ে তাহ্ হিয়াতুল হাবীব মৃদুলের পক্ষে তার আইনজীবী গোলাম মোস্তফা গত ২৩ জুন মোঃ কামরুজ্জামান ওরফে আকতার, পিতা-ইদ্রিস আলী, সাং- কাশীপুর, মহেন্দ্রনগর পোষ্টঃ ভোলার চওড়া, থানা ও জেলা লালমনিরহাট এবং এনামুল পিতা- আবুল কাশেম, সাং- সেলিম নগর,পোষ্টঃ বড়বাড়ী থানা ও জেলা লালমনিরহাট দ্বয়ের নিকট লিগ্যাল নোটিশ প্রেরন করেছেন।
লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়, আপনারা উভয়ে ব্যবসায়িক কারণে বন্ধু ও বিশ্বস্থ। তৎকারনে গত ১৯/১১/২০২৩ ইং তারিখে মোঃ সৈকত ইসলাম ডায়াবিটিস হাসপাতাল সংলগ্ন জেলখানা লালমনিরহাট রোডস্থ ব্যবসায়িক চেম্বারে উপস্থিত হইয়া আলুর ব্যবসা করার জন্য ১,২০,০০০/-(এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকা কতক স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে কর্জ লইয়া ০৬ (ছয়) মাসের মধ্যে। ব্যবসায়িক লাভসহ প্রদান করিবেন মর্মে অঙ্গিকার করেন। পরিতাপের বিষয় এইযে আমার মক্কেলের সমুদয় টাকা আজ অবদি পরিশোধ করেন নাই। উপরোক্ত আপনি ও আপনার বোন জামাই এনামুল সহ আমার মক্কেলের সুনাম পূজি করিয়া বিভিন্ন সুবিধা গ্রহন করেন। এমনকি আপনার ছোট বোন সাহানাজ ওরফে কাওছারা (১৮) কে বিবাহ দেয়ার কথা বলে দামি দামি শাড়ি জামা সহ মেয়েদেরে বিভিন্ন কসমেটিক্স জিনিস পত্র গ্রহন করিয়াছেন। যাহার মূল্য ১৭,৫০০/- টাকা। উপোরে উল্লেখিত সমূদয় বিষয়ের উপযুক্ত প্রমান আমার মক্কেলের নিকট সংরক্ষন আছে। আমার মক্কেল পাওনা টাকা পরিশোদের জন্য আপনাকে একাধিক বার তাগাদা এবং অনুরোধ করিয়া ছিলেন। কিন্তু আপনি কোন প্রকার গুরুত্ব প্রদান করেন নাই কিংবা পাওনা টাকা পরিশোধ করেন নাই। আমার মক্কেল বাধ্য হইয়া ০২/০৬/২০২৪ ইং তারিখের মধ্যে সমুদয় টাকা পরিশোদের অনুরোধ করেন ও উক্ত সময় বাধিয়া দেন। তৎকারনে আপনি আমার মক্কেলের নামে বিভিন্ন কুৎসা রটাইতেছেন ও তার সুনাম বিভিন্নভাবে বিনষ্ট করার পায়তারা করিতেছেন।
এমতাবস্থায় উল্লেখিত অবস্থা মতে ইহা সু-স্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয় যে, আপনি একজন ব্যাবসায়ি হিসাবে আমার মক্কেলের সরলতার সুযোগে তাহার মনে বিশ্বাস এবং আস্থা স্থাপন করতঃ উক্ত কর্জ টাকা পরিশোধ না করিয়া আমার মক্কেলের সহিত প্রতারনা অপরাধ মূলক বিশ্বাস ভঙ্গতার কারন ঘটাইয়াছেন যাহা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। সেহেতু আপনাকে অত্র লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করা হইলো। আপনি অত্র লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে পাওনা টাকা পরিশোধ করিবেন। অন্যথায় আমার মক্কেল দাবিকৃত টাকা ও মানহানীর বিষয় আপনাদের বিরূদ্ধে ফৌজদারী আদালতে মামলা করিতে বাধ্য হইবেন। সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনা যাবতীয় ব্যায় ও খরচালীসহ সমস্ত প্রকার দায়-দায়ীত্ব আপনাকে বহন করিতে হইবে।
এব্যাপারে কামরুজ্জামান ওরফে আকতারের সাথে কয়েক বার যোগাযোগের চেষ্টা করার পরেও তিনি কোন কথা বলেনি।