আবির আহমেদ হামিদ – রংপুর:
রংপুর জেলার সদর উপজেলা অন্তর্গত কোতোয়ালি থানার হরিদেবপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (কতমতলা) এলাকার বাসিন্দা মোঃ সোহানুর রহমান (১৯)। তিনি তার পিতা-মাতার একমাত্র ছেলে। চাকুরী সূত্রে তিনি ঢাকায় অবস্থান কালে তার পূর্ব পরিচিত এক সহকর্মীর মাধ্যমে শাহনাজ পারভীন (২৮) নামের এক নারীর সাথে পরিচয় ঘটে। বিগত পহেলা জানুয়ারী ২০১৯ ইং তারিখে সুচতুর শাহনাজ পারভীন তার পূর্বের একাধিক বিয়ে এবং দুই সন্তানের কথা সম্পূর্ণ গোপন রেখে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে তার পরিচিত স্থানীয় বখাটে পোলাপানের মাধ্যমে ভয় ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক তাকে ঢাকায় অবস্থিত এক কাজী অফিসে গিয়ে ৩০০০০০ (তিনলক্ষ) টাকা মাত্র দেনমোহর ধার্য্য করে বিবাহ করতে বাধ্য করে। বিয়ের দিন পর্যন্ত শাহনাজ পারভীনের বয়স ছিলো প্রায় ২৮ বছর এবং সোহানুর রহমানের বয়স ছিলো প্রায় ১৯ বছর মাত্র। সোহানুর রহমানের বয়স শাহনাজ পারভীনের চেয়েও প্রায় ৯ (নয়) বছরের ছোট এবং পুরুষের বিয়ের বয়স ২১ (একুশ) এর দুই বছর কম। সোহানুর রহমানের জন্ম তাং – ০৭/১০/২০০০ ইং এবং শাহনাজ পারভীনের জন্ম তাং – ২৮/০৬/১৯৯২ ইং। বিয়ের পরে স্বামী – স্ত্রী ঢাকায় কিছুদিন ঘর-সংসার করার পরে স্বামী সোহানুর রহমানের শারীরিক অসুস্থতার কারণে স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি রংপুরের কদমতলায় চলে আসার পরে স্ত্রীর একাধিক বিয়ে ও দুই সন্তান এবং স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর বয়স প্রায় ১০ বছর বেশির বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যায়। পাশাপাশি জানা যায় পাশের এলাকা হাজিরহাট থানার ১০ নং ওয়ার্ডের সবুর উদ্দিনের মেয়ে শাহনাজ পারভীন। এসব জানাজানির পরে সোহানুর রহমানের পিতা-মাতা মেনে না নেয়ার কারনে একই এলাকায় আলাদা বাড়ি তৈরী করে আলাদা ঘর-সংসার শুরু করেন। এমতাবস্থায় সংসার চলাকালীন সময়ে তারা এক সন্তানের জন্ম দেন। তার কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর থেকে স্বামীর উপরে নানাভাবে অমানবিক নির্যাতন শুরু করে শাহনাজ পারভীন। স্ত্রীর প্রতি অতিষ্ঠ হয়ে বিগত ২৯/০৯/২০২২ ইং তারিখে স্থানীয় কাজী অফিসে গিয়ে স্ত্রী শাহনাজ পারভীনকে ডিভোর্স দেন। পরে শাহনাজ পারভীন রংপুর সদর উপজেলা কোতোয়ালি থানায় গিয়ে “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সঃদঃ ধারায় মিথ্যে ও বানোয়াট মামলা করে।” যার মামলা নং – ০৬/২০২২। এরপর শাহনাজ পারভীন মিথ্যে সাজানো নিকাহনামায় ৩০০০০০ (তিনলক্ষ) টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০০০০০ (আটলক্ষ) টাকা দাবী করে। এমতাবস্থায় সোহানুর রহমান নিরুপায় হয়ে পুলিশ ও দেশবাসীর নিকট সহযোগী চান এবং মিথ্যে বানোয়াট হয়রানিমুলক মামলার প্রত্যাহার দাবী করে তার পক্ষে তার চাচা মোঃ ইউনুস আহম্মেদ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনের সময় তার চাচা ইউনুস আহম্মেদ দাবী করেন মেয়েটি পূর্বেও দুইটি মতান্তরে তিনটি বিয়ে করেন এবং তাদেরকে ডিভোর্স দিয়ে মোহরানার টাকা আদায় করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উক্ত এলাকার মহিলা মেম্বার জানান – তাকে ডেকে নিয়ে ঘটনার প্রবাহ জানানোর কথা বলে তার নামে মিথ্যে অভিযোগে পুলিশ ধরে নিয়ে যায় এবং তিনি ৮ (আট) দিন জেলে থাকার পরে জামিনে বের হোন। এই মিথ্যে অভিযোগ ও হয়রানির কারণে ঐ মহিলা মেম্বার তার সাথে হওয়া অন্যায়ের ন্যায্য বিচার দাবী করেন।