পলাশ আহমেদ:
মাদারীপুরের রাজৈর থানায় মুক্তিযোদ্ধার জমি প্রতারণা করে আলী আজগর অবৈধভাবে দখল করে আছে বলে জানা যায়।
জানা যায়,২০০০ সালে সাহেব আলী আজগর আলী ফকির থেকে নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে সই দিয়ে দুইবারে পাঁচ হাজার করে ১০ হাজার টাকা আনেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে নগদ টাকা আলী আজগরকে ফিরিয়ে দিয়ে স্ট্যাম্প নিয়ে আসেন। তারপর ঘটনাটি শুরু হয় এখান থেকেই। আলী আজগর সাহেব আলীর বাড়ির সীমানার কিছু জায়গা ২০০১ সালে ক্রয় করেছে বলে জোর দখল করে।এবং বাড়ীর পাশের ভিটাও অবৈধভাবে দখল করে বছরের পর বছর ভোগ করে আসছে।
স্ট্যাম্পে সই দিয়ে টাকা আনাতে আলী আজগরের প্রতারণার শিকার হয়েছে,সাহেব আলীর তা আর বুঝার বাকি রইলো না।তখন প্রতিবাদ করায় সাহেব আলী ও তার মেয়েদের উপর অত্যাচার ভয়-ভীতি দেখিয়ে আসছে। পরবর্তীতে তার মেয়েরা ঢাকায় এসে মানুষের বাসায় ভাড়া থাকা শুরু করে।
আর সাহেব আলী না পেরে এলাকার গণ্যমান্য মানুষদের জানিয়ে সালিসি বসে সেখানেও ফায়সালা পায়নি। সাহেব আলীর পরিবার তাদের পাঁচ ছেলের সাথে না পেরে নিরবে নিভৃতে দিন কাটাচ্ছে।আর তার সন্তানরাও থাকছে বাড়ী ছাড়া হয়ে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহেব আলী বলেন,আলী আজগর ও তার ৫ ছেলে আমার উপর অত্যাচার করে আমার জায়গা দখল করে রাখছে।আমার সন্তানরাও ওদের অত্যাচার থেকে রেহাই পায়নি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিচার চাই,আমরা দীর্ঘ দিন যুদ্ধো করে এ দেশ স্বাধীন করেছি,এখন আমরাই একটু শান্তিতে থাকতে পারছি না।
মুক্তিযোদ্ধার এক মেয়ে বলেন,আমার বাবা অনেক আগে ১০ হাজার টাকা স্ট্যাম্পে সই দিয়ে এনেছিল আলী আজগর থেকে,পরে সেই টাকা ফেরত দিয়ে স্ট্যাম্প নিয়ে আসে।কিন্তু আলী আজগর আমাদের জায়গা দখল করে বলে আমার বাবা নাকি তার কাছে জমি বিক্রি করেছে।আমরা এদের বিচার চাই।
এ বিষয়ে এলাকার মানুষ জানায়,সাহেব আলী একজন মুক্তিযোদ্ধা এই জায়গা সাহেব আলীর বলে আমরা জানি।
ভুক্তভোগী পরিবারটি তাদের জায়গা ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।