স্টাফ রিপোর্টার বাগেরহাটঃ
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে নবলোক রিসোর্স প্রকল্পে সহযোগিতায় গরিব ও অসহায়দের মাঝে সোমবার (১৯’ই জুন) বিনামূল্যে বাগদা ও হরিনার পোনা বিতরণ ও বিনামূল্যে ক্লাস্টার পদ্ধতি স্থাপন করেছেন।
সনাতন পদ্ধতিতে বেশ কয়েক বছর ধরে চিংড়ি চাষে লাভের মুখ দেখতে পারছেন না অধিকাংশ চাষি। জলবায়ুর প্রভাব, রোগ-বালাইসহ নানাবিধ কারণে উৎপাদনের আগে চিংড়ি মারা যাওয়ায় ক্রমাগত লোকসানে আর্থিক বিপর্যয়ে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের কয়েক লাখ চাষি। চিংড়ি চাষিরা যখন হতাশায় দিন পার করছে, ঠিক তখনই নবলোক এন জি ওর সহায়তায় গরীব অসুহায়দের সংগঠিত করে দেখিয়েছে নতুন সম্ভাবনা ও আশার আলো। উন্নত ক্লাস্টার পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ আগামীতে চিংড়ি চাষীদের বিভিন্ন বিপর্যয়ের মধ্যেও ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে উন্নত এই ক্লাস্টার পদ্ধতি। এই উন্নত পদ্ধতির সহযোগিতা
প্রয়োগ করে মোংলায় নবলোক রিসোর্স প্রকল্প , গরিব ও অসহায়দের মাঝে বাগদা ও হরিনার পোনা দিয়ে সহায়তা করেন এবং কাস্টার স্থাপন চলমান রেখেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নবলোক এন জি ওর ম্যানেজার মোঃ বোরহান সরদার। সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা অমিত কুমার দত্ত এবং এ টি ও আব্দুর রহমান বলেন,চিংড়ি ও বাগদা চাষের মধ্যে দিয়ে এই এলাকার মানুষের বেকারত্ব কমিয়ে আনা সম্ভব তাই চিংড়ি ক্লাস্টার চলোমান থাকবে। উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এটি একটি কার্যকরী উপায়।
দক্ষিণ উপকূলের সব চাষিদের সুসংগঠিত করে ক্লাস্টার পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ করতে পারলে কৃষি অর্থনীতির বিপ্লব ঘটবে।