কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
রৌমারী স্থলবন্দরে নিবন্ধন ছাড়া স্বঘোষিত পরিচালনা কমিটি করা হয়েছে এবার।অভিযোগ উটেছে ভারত থেকে নেমে আসা পাথর বোঝাই গাড়ি প্রতি চাঁদা নেয়া হচ্ছে ৩৭’শ টাকা। চাঁদা দিতে গড়িমসি করলে আওয়ামী দোসর হিসেবে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এতে আতঙ্কে আছেন আমদানি রপ্তানিকারীরা। বিগত আ.লীগ আমলে রৌমারী স্থলবন্দরে এমপি বিপ্লব হাসান পলাশের নাম ভাঙিয়ে যারা ধান্দাবাজি করে আসছিল, বিএনপি নেতারা তাদের সাথে জোট বেঁধে কমিটি করে করছে চাঁদাবাজি। প্রথম অবস্থায় ট্রাক প্রতি ছিল ২৭’শ টাকা। এখন তা ফুলে ফেঁপে দাঁড়িয়েছে ৩৭’শতে।
বিগত দিনে টাকা উত্তোলনকারী কমিটির সহ-সভাপতি আলেপ উদ্দিন ছিলেন হুন্ডি, চোরাচালান ও মাদকের সম্রাট। তিনি বর্তমান আমদানি রপ্তানি এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক। সভাপতি হিসেবে আছেন রৌমারী উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক। তিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকিরের অতি ঘনিষ্ঠজন। আ.লীগ আমলে জাকিরের আর্শিবাদপুষ্ট হয়ে নৌকা ডুবিয়ে করেছিলেন বাজিমাত। ৫ আগস্ট প্রতিমন্ত্রী জাকির স্ব-পরিবারে পালিয়ে গেলে তার রেখে যাওয়া মালামাল রক্ষার দায়িত্ব নেন রাজ্জাক। তার চাঁদা আদায়ের সহযোগী আব্দুর রশিদ আ.লীগ নেতাদের ছত্র ছায়ায় থেকে চোরাচালানসহ সকল অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে রৌমারী স্থলবন্দর পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ তিনি।
স্থলবন্দরে সিএনএফদের কাছে এর সত্যতা জানতে চাইলে তারা বলেন, বিষয়টি ব্যবসায়ী এবং এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সম্পাদকের।
সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে যোগাযোগ করলে চাঁদাবাজির বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, চাঁদা নয়, অফিস ও সংগঠনের একটা খরচ নেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগের দাপ্তরিক কিছু খরচ আছে। স্থল বন্দরটি চলমান রাখার জন্য কিছু কালেকশন তো করতেই হয়।#