স্টাফ রিপোর্টারঃ
লালমনিরহাটে অনুমোদনহীন একটি ভেজাল ঔষধ তৈরি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় প্রায় বিশ লক্ষ টাকার ভেজাল ঔষধ এবং কারখানাটির অনুমোদন না থাকায় কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।
বুধবার (১০-মে) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা সদরের বড়বাড়ি বাজারের স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন এলাকায় বাসা ভাড়া দেয়া হবে পোস্টার লাগিয়ে ভিতরে বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির গবাদিপশুর ভেজাল ঔষধ কারখানায় সদর থানা পুলিশের সহায়তায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত এ অভিযান চালায়।
অভিযানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা ও সদর থানা পুলিশসহ উৎসুক জনতা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানায়, সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে নুরআলম ও গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ এলাকার আসাদুজ্জামান আসাদ দীর্ঘ দিন থেকে অভিযুক্ত নুরআলমের বাসায় যৌথভাবে অনুমোদনহীন স্কয়ার ও একমি সহ বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির লোগো লাগিয়ে গবাদিপশুর ভেজাল ঔষধ তৈরি করে বাজারজাত করে আসছিলেন। গোপন সূত্রে এমন তথ্য পেয়ে অভিযান চালানো হয়েছে।
কারখানাটি সিলগালা করার পর ভেজাল ঔষধ প্রস্তুতকারী অভিযুক্ত নুরআলম ও আসাদুজ্জামান আসাদের নামে নিয়মিত মামলা করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বড়বাড়ি এলাকার একাধিক ব্যক্তি বলেন, সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের হাতুড়া এলাকার মৃত ওয়াহেদ আলী, মিস্ত্রি কাজ করে কোনরকম সংসার চালাতেন। তার দুই ছেলে নুরআলম ও মান্না বড়বাড়ি বাজারে মানুষের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ শুরু করে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে রাতারাতি হয়ে যান কোটিপতি। ভেজাল ঔষধ কারখানা, দেহ ব্যবসা, জুয়া, ক্যাসিনো, ভূমিদস্যু ইত্যাদি অপকর্মের সাথে জড়িয়ে দুই ভাই রাতারাতি হয়ে যান কোটিপতি।
এ সময় উৎসুক জনতা নুরআলম ও মান্নার অবৈধ সম্পদের যথাযথ হিসাব নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।