হাসান চৌধুরী, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জে সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আমিনুল ইসলাম সেখ ও তার সহধর্মিণী কোহিনুর বেগমের কোমর পুর মৌজার ক্রয়কৃত ১৫৫ শতক ফসলি জমি বেদখলে দেবার ষড়যন্ত্রে গাছের চারা রোপণের অভিযোগ উঠেছে চান্দাইকোনা গ্রামের রাজাকারের ছেলে ভূমিদস্যু মো. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে বিজ্ঞ রায়গঞ্জ থানা সহকারী জজ আদালত জমির প্রকৃত মালিক হিসাবে মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে রায় প্রদান করেন। সিরাজগঞ্জ ও রায়গঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক সামাজিক ও স্থানীয় প্রশাসনসহ বাদী বিবাদীর দু’পক্ষের এ্যাডভোকেট এর সমন্বয়ে একাধিক শালিমী বৈঠক হয়। শালিমী বৈঠক উভয়ের
কাগজপত্র যাচাই বাচাই অন্তে সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আমিনুল ইসলাম সেখ ও তার সহধর্মিণী কোহিনুর বেগমের পক্ষে রায় চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়। কিন্তু রাজাকারের ছেলে ভুমিদস্যু শরিফুল ইসলাম বিজ্ঞ আদালতকে অবমাননা করে জমি বেদখল দেবার পায়তারায় গাছের চারা রোপন করেছে। এই সকল অপকর্মের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জের বিশিষ্ট জনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধঙ্গুলি দেখিয়ে জোর-জবরদস্তিভাবে ১৫৫শতক জমি বেদখল দেবার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন ভুমিদস্যু শরিফুল ইসলাম। সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আমিনুল ইসলাম শেখ জানান, রায়গঞ্জ থানাধীন কোমরপুর মৌজার জেএল নং- ২৫, সাবেক দাগ নং- ৩৩৩, হাল দাগ- ৫০৮ ও হাল খতিয়ান নং- ১১০ এর ৬০ শতক জমি ১৫.০৫.১৯৮১ তারিখে প্রজা রওশন আরা বেগম জজে আবু বকর সিদ্দিকের নিকট থেকে ক্রয় করা। হয় যার দলিল নং- ৬৬০২/৮১। অপরদিকে একই মৌজার সাবেক দাগ নং-৩৩৭, হাল দাগ নং-৫০০, জমি পরিমাণ মোট ১৫ শতক প্রজা আবু বকর সিদ্দিকের নিকট থেকে ১৫.০৫.১৯৮১ তারিখে। নিজ নামে ক্রয় করি, যার দলিল নং- ৬৬০২/৮১। ১৯৭১ সালের পাক হানাদারের সহচর রাজাকার মৃত আবুল সেনের ছেলে মো. শরিফুল ইসলামের নিকটস্থ জমিগুলো হওয়ায় বায়নার কাগজ দাখিল পূর্বক প্রভাব খাটিয়ে বেদখল দিতে নানা তাল বাহানায় মুক্তিযোদ্ধাকে তার ন্যায্য হিসাব থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে বলে উল্লেখ করেন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের জমি রাজাকারের পুত্র শরিফুল ইসলামের হাত থেকে উদ্ধারের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহলের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।