খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ-
খুলনার দাকোপ উপজেলার ২নং দাকোপ ইউনিয়নের সাহেবের আবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ সেলিম মোড়লের বিরুদ্ধে দশম শ্রেণির ছাত্রী ও তার অভিভাবক অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকদের কাছে ভুক্তভোগী ছাত্রী অভিযোগ করলেও অজ্ঞাত কারণে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। কেউ কেউ বলছে ২০/১০/২০২২ রোজ বৃহস্পতিবার সাড়ে ছয়টার সময় মেয়ে বাড়িতে না আসায় খোঁজাখুঁজি করে পরিবারের সদস্যরা। এক পর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় স্কুলের মাঠে পাওয়া যায়। ছাত্রীর পরিবারের লোকজন দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং জরুরী বিভাগে ভর্তি করেন। এলাকাবাসী ও ছাত্রীর অভিভাবকের পক্ষ থেকে জানা যায়, মেধাবী ছাত্রীটি উক্ত বিদ্যালয়সহ প্রথামিক বিদ্যালয়ে আটবার স্কুলে প্রথম স্থান লাভ করেছে। এ ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চলছে প্রতিবাদের ঝড়। বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন অজানা আরো রহস্য জনক ঘটনা। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় মোড়লের নিকট মুটো ফোনে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি তবে কতটুকু সত্য কতটুকু মিথ্যা এ সম্পর্কে ভাল জানিনা। অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ সেলিম মোড়লের নিকট মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয় নি। এদিকে ছাত্রীর ভাষ্য পরিষ্কার যে, সেলিম স্যার তাকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দেয়। এ ছাড়া গোপনে অনুসন্ধান কালে অভিভাবক, ছাত্রীদেরও এলাকাবাসীর বক্তব্য অনুযায়ী আরো দুজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের প্রতি যৌন ইঙ্গিত ও স্পর্শের অভিযোগ এসেছে। যা অনেক দিন ধরে চলে আসছে। সহকারি শিক্ষক মোঃ সেলিমকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার কর্তৃক আবেদনের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করলে তার স্ত্রী নোটিশ গ্রহণ করেন। আজ কমিটির জরুরি মিটিং এ আবারও সভাপতি ননী গোপাল মন্ডলের অনুমতিক্রমে দ্বিতীয় বার নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এদিকে ভুক্তভোগী ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে শিক্ষক সেলিমের বিরুদ্ধে দাকোপ থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং ১২\১৪৪, তাং ২২\১০\২০২২। গ্রেফতার এড়াতে অভিযুক্ত শিক্ষক সেলিম আত্মগোপন করেছে।