1. deb442784@gmail.com : Arpita Ded : Arpita Ded
  2. support@dailyhellobangladesh.com : dailyhellobangla :
  3. mdfarukhossain096@gmail.com : faruk faruk : faruk faruk
  4. faruksurjo79@gmail.com : farukahmed Ahmed : farukahmed Ahmed
  5. fojoluddin77@yahoo.com : MdFojluuddn Uddin : MdFojluuddn Uddin
  6. jssksngo@yahoo.com : Mist. Jahanara Jahanara : Mist. Jahanara Jahanara
  7. mafazzalali24@gmail.com : Mafazzal Ali : Mafazzal Ali
  8. somratmr71@gmail.com : Md somrat Md somrat : Md somrat Md somrat
নাহিদুজ্জামান বাবুর স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি - দৈনিক হ্যালো বাংলাদেশ
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কালিগঞ্জ এর পক্ষে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাহিনুর ইসলাম শাহিন যুব সমাজের আইকন ফারহান উদ্দিন আহমদ পাশা লালমনিরহাট- বাশীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারুণ্যের আইকন নবিউল করিম লেবু তুষভান্ডার ইউনিয়ন বাসীকে পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ভোটমারী ইউনিয়ন বাশীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আব্দুল বাছেদ পাটোয়ারী কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসক ইদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা বার্তা জানান মোছা: জাকিয়া সুলতানা তারুণ্যের আইকন মমতাজ আলী শান্ত.. ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রৌমারীতে আ.লীগ-বিএনপি’র সমন্বয়ে স্থল বন্দর পরিচালনা কমিটি : গাড়ি প্রতি চাঁদা ৩৭’শ টাকা আত্রাই পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়তে ইউএনওর নানা পদক্ষেপ লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক কর্তৃক সাফ নারী চ্যাম্পিয়ানশীপ মুনকি আক্তার-কে সংবর্ধনা How To Win From Slots? 10 Leading Tips For Slot Machine Machine

নাহিদুজ্জামান বাবুর স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি

দৈনিক হ্যালো বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ৪৮০ বার পঠিত

নিজেশ্ব প্রতিনিধি, অনলাইন ডেস্ক:-,

গত ২০ জানুয়ারি রোজ শুক্রবার রাতে অধ্যক্ষ এম ওয়াজেদ আলী হত্যায় বের হয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য, এই তথ্য জানতে শুনে আসা যাক নাহিদুজ্জামান বাবুর সেই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি ।
তিনি বলেন, আমি নাহিদুজ্জামান বাবু, আমি পেশায় একজন গৃহ শিক্ষক আমি লেখাপড়া শেষ করে টিউশনি করে জীবিকা নির্ভর করতাম । ২০১৮ সালের দিখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফাতেমা পি-ক্যাডেট এন্ড কিন্ডা গার্ডেন স্কুলের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি। সেখানে আমি প্রায় ৩ বছর কাজ করি, যোগদানের শুরুর দিকে তার সাথে আমার সম্পর্ক ভালো ছিল। আমার জানামতে সাবেক স্যারের চরিত্র ভালো ছিল না। আমি স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে স্যারের বিষয়ে সমালোচনা করতাম। সমালোচনার বিষয়টি জানার পর স্যার আমার টিউশনি গুলো নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতেন। আমি যেসব বাচ্চাদের বাসায় টিউশনি করাতাম। তাদেরকে যাতে আর না পড়াতে পারি সেজন্য সেসব জায়গায় হস্তক্ষেপ করতেন। তিনি তার স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকদেরও আমার বিরুদ্ধে নানা কথা বলে ক্ষেপিয়ে তোলেন। এক পর্যায়ে আমি ২০২২ সালের মার্চ মাসের দিকে স্যারের স্কুলের চাকরি ছেড়ে দেই। কিন্তু চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পরও তিনি আমার পিছে লেগে থাকেন। তিনি আমার বিষয়ে আমার পরিবারের লোকজনকে নানা কথা বলতেন এবং ভয়ভীতি দেখাতেন। আমি স্যারের স্কুলের শাম্মী আক্তার ইমু ম্যাডামের মেয়ে জয়িতাকে পছন্দ করতাম। তবে, পছন্দ করার বিষয়টি আমি জয়িতাকে কোনোদিন বলিনি। তখন জয়িতা এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। আমি জয়িতার ভাই ইশানকে বাসায় গিয়ে পড়াতাম। ২/৪ মাস পর ইশানকে আমার বাড়ীতে পড়ানো শুরু করি। এই বিষয়ে ওয়াজেদ আলী স্যার আমাকে অপমান করার জন্য শাম্মী ম্যাডামকে চাপ দেয়। ঘটনাটির অর্থাত ২০/০১/২০২৩ তারিখ রাতে পাটগ্রাম পৌরসভা (সাহেবডাঙা মোড়) মোড়ে স্যারের সাথে আমার দেখা হয়। তখন আমি তার সাথে কথা বলার জন্য এগিয়ে যাই। এগিয়ে গিয়ে আমি স্যারকে সালাম দেই। এবং জিজ্ঞাসা করি যে, স্যার আপনি আমার সাথে এমন কেন করতেছেন, আমি তো আপনার কোনো ক্ষতি করি নাই। তখন স্যার আমার উপর রাগ দেখানো শুরু করে। এবং বলে যে আমি তোমাকে কি করলাম, কোন প্রমাণ আছে? তখন আমি স্যারকে ভয় দেখানোর জন্য আমার এক কমান্ডো বন্ধু মুহাইমিনুল হকের কথা উল্লেখ করি। আমি স্যারকে বলি যে, আপনার বিষয়ে আমি আমার বন্ধুকে সব বলেছি, আপনি বিভিন্ন মেয়েদের নিয়ে দেহ ব্যবসা করেন। তখন স্যারের সাথে আমার তর্কাতর্কি হয়। আমি স্যারকে বলি যে, আপনি যদি আমার পিছন না ছাড়েন তবে আপনার অনেক সমস্যা হবে। তখন স্যার ছোট একটি ছোরা (হাতল’সহ ৫/৬ ইঞ্চি লম্বা) বেড় করে আমার গলার কাছাকাছি ধরে এবং আমাকে টেনে নিয়ে তার বাড়ীর দিকে নিয়ে যেতে যেতে বলে যে, তোরে আজকে খাইছি। তখন আমি ভয় পেয়ে স্যারের হাত থেকে ছোরাটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করি। তখন আমার ডান হাতের কনিষ্ট ও অনামিকা আঙ্গুল দুইটির মাঝামাঝি কেটে যায় (আসামির ডান হাতের কনিষ্ট ও অনামিকা আঙ্গুল দুইটির মাঝামাঝি কাটার চিহ্ন দেখা গেলো)। তখন আমি রাগের মাথায় ছোরা দিয়ে স্যারের মাথা থেকে শুরু করে বুক পর্যন্ত ৭/৮টি হানামারি। তখন স্যার চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এবং স্যার চিৎ হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পড়ে যাওয়ার পর আমি স্যারের গলায় ছোরা দিয়ে একটা টান দেই। চিল্লাচিল্লি শুনে রাস্তার পাশের বাড়ী থেকে টেক্কা( পিতার নাম জানি না) সহ আরও কয়েকজন লোক বেড় হয়ে আসে। এবং আমাকে বলে যে, একেবারে মেরে ফেলিস না। তখন আমার রাগ কমে যায়। এবং আমি ছোরাটা প্যান্টের পকেটে নিয়ে দৌড় দিয়ে মেইন রাস্তায় উঠি। ৪/৫ মিনিট হাঁটার পর রিকশায় করে মুন্সিরহাটে আমার এক চাচাতো ভাই মুস্তাফিজুরের বাড়ীতে চলে যাই। তখন মুস্তাফিজ বাড়ীতে ছিল না। তার বৌ ছিল। আমি তার বৌকে আমার হাত কাটার কথা বলে হাতে ব্যান্ডেজ বেঁধে দেয়ার জন্য বলি। হাতে ব্যান্ডেজ বাধার পর মুস্তাফিজ ভাই বাড়ীতে আসলে আমি তাকে ঘটনা বলি। তখন সে আমাকে তার বাড়ী হতে চলে যেতে বলে। তখন আমি তার বাড়ী হতে বের হয়ে হাটতে হাটতে ফাকা আবাদি জমির মধ্যে যাই। সেখানে এক ডাঙওয়াল (গরু চোরাকারবারি) (নাম মনে নেই) কে বলি যে, আমি হাতীবান্ধা থেকে আসছি, আমি ৪ হাজার টাকা দিচ্ছি, আমাকে ভারতে পার করে দেন। তখন ঐ লোক রাজি হয়ে আমাকে সীমান্ত পার করে দেন। সীমান্ত পার হওয়ার পর ঐ ডাঙওয়ালের পরিচিত এক বাড়ীতে উঠি। সেখানে আমার কাপড় পরিবর্তন করে নয়ারহাটে আমার চাচা মোনাব্বর ও আব্দুল মালেকের বাড়ীতে যাই। যাওয়ার পথে আমার পকেট থেকে ছোরাটি ফেলে দেই। চাচাদের বাসায় গিয়ে আমি আমার হাত কাটার জন্য অসুস্থ্য হয়ে পড়ি। সেখানে আমি এক সপ্তাহ ছিলাম। এরপর সেখান থেকে আমার এক ফুফুর (নাম মনে নেই) বাড়িতে যাই। সেখানে যাওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে আমার এক ভাই (বাবলু) ফোন করে বলে, পাটগ্রামের পরিস্থিতি অনেক খারাপ এবং সাধারণ মানুষ আমার বাড়ীর লোকজনকে হেনস্থা করছেন। বাবলু তখন আমার নাম্বার পাটগ্রাম থানার ওসিকে দেন এবং ওসির সাথে আমাকে কথা বলার জন্য বলে। তখন ওসি স্যার আমাকে কল করে বলে যে, আমি যদি বাড়ী না আসি তবে লোকজন আমার বাড়ী ঘরে হামলা করবে। ওসি স্যার আমাকে বলে যে, আমি বাড়ী ফিরে আসলে আমাকে পুলিশ দিয়ে প্রটেকশন দিবে। তখন আমি আমার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের কথা চিন্তা করে গতকাল (২৯/০১/২০২৩) পুলিশের সোর্সের মাধ্যমে দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করি। এরপর ওসি স্যার সেখান হতে আমাকে থানায় নিয়ে যায়। সেখান হতে আজকে আমাকে কোর্টে নিয়ে আসে। আমি রাগের মাথায় এবং আত্মরক্ষার্থে এই অপরাধ করেছি। আমি স্যারকে মেরে ফেলার জন্য আঘাত করিনি।
জুটিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেলাল হোসেনের কাছে ১৬৪ ধারায় এমনি জবানবন্দী দিয়েছিলেন নাহিদুজ্জামান বাবু ।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক হ্যালো বাংলাদেশ © গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
Theme Customized BY Daily Hello Bangladesh
Bengali BN English EN