ছাতক (সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জে ছাতকে মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম সদস্য নিজাম চত্রেুর ফাদে পড়ে অধশতাধিক মানুষ প্রতারিত হচ্ছে। জায়গা সম্পতি বিত্রিু করে টাকা পযসা হারিয়ে তারা নিঃস্ব হয়েছেন। এসব মানুষকে বিদেশে পাঠানো,পাসপোট,ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বানিয়ে দেয়ার নামে তাদের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে মানবপাচারকারী চক্রের।
কখনো রোয়াব উল্লা,কখনো নিজাম, আবার কখনো উদ্দিন,কখনো ব্যারিষ্টার,কখনো সেনাবাহিনীর মেজর,কখনো পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাসহ নানা পেশার পরিচয় দিয়ে এভাবেই একের পর এক নাম পাল্টিয়ে প্রবাসীদের পাসপোট ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়ে দেয়ার নামে প্রতারণা করে আসছিল মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম এক সদস্য নিজাম।
তার মাধ্যমে ইউরোপে পাঠানো ও প্রবাসীদের পাসপোট বানিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্নসাত করার অভিযোগ করেন ভূক্তভোগীরা। ভূক্তভোগীরা ও নিজাম সঙ্গে একাধিক শালিস বৈঠক করে ও তাদের পাওনাকৃত টাকাগুলো ফিরিয়ে দিচ্ছে না।
(গত ১২ ফেব্রুয়ারি) রোববার সকালে এ দালাল চত্রেু মুল হোতা নিজাম উদ্দিনকে প্রধান আসামী করে দুজনের বিরুদ্ধে প্রতারিত সংবাদকর্মী খালেদ মিয়া বাদী হয়ে সিলেটের ডিআইজি,পাসপোর্ট অফিস, র্যাব ৯ এর বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ।
জানা যায়,মানব পাচার চক্রের মূলহোতা হচ্ছেন দোয়ারাবাজারে গোপিনগর গ্রামের রোয়াব উল্লার পুত্র নিজাম উদ্দিন। সে দীঘদিন ধরেই মানব পাচার ব্যবসা শুরু করেছেন সিলেটে থেকে। মানব পাচার চত্রেুর ফাদে পড়ে প্রতারিত হচ্ছে, ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার ইউপির বরকাপন গ্রামের ফ্রান্স প্রবাসি ইকবাল হোসেন কে পাসপোর্ট তৈরির প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ ১০ লাখ টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছেন। এক চত্রেুর কাছে পাসপোর্ট সংশোধন করতে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউপির হাসনাবাদ গ্রামে সংবাদকমী খালেদ মিয়া,পৌর শহরের মাহমুদ আলী,নোয়ারাই বোরহান আলী,বিশ্বনাথে রহিম উদ্দিনসহ অধশতাধিক মানুষ টাকা পযসা হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন তারা।
এসব মানুষদের কাছ স্বপ্নের দেশ লন্ডন,ফান্স,ইতালি,গতুগাল ইউরোপ সহ বিভিন্ন দেশে মানুষ পাঠানো, পাসপোর্ট,
ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বানিয়ে দেয়ার নামে নিজাম চত্রুরা জমজমাট প্রতারনা ব্যবসা চালিয়ে আসছে।
জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে নিজাম সিলেটের শহরে বিভিন্ন প্রতিষ্টানে নামের সাইনবোড ব্যবহার করে মানব পাচার ব্যবসা শুরু করেছিল। তার চত্রুরা ছাতকে বিভিন্ন গ্রামে সহজ সরল মানুষকে বিদেশে ভালো বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশ মানুষ পাঠিয়ে দেয়।
এ পাশাপাশি পাসপোর্ট , ড্রাইভিং লাইসেন্স বানানো সহ নানা কাজের অলিখিত চুক্তি করেন। এসব কাজের জন্য তার নিজ নামেই কোনো বৈধ এজেন্সি নেই। তার পরিচিত বা আত্মীয় স্বজনদের বিভিন্ন অফিসের ঠিকানা নাম ব্যবহার করেই এসব কর্মকান্ড চলছে।
তার নামে কোন বৈধ এজেন্সি না থাকায় তার প্রতারনা ব্যবসা ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যায়।
নিজাম ও তার প্রধান সহযোগি জাবেদ আহমদ ও জড়িত রয়েছে।
বিআরটিএর লাইসেন্স এছাড়াও চত্রেুর বিভিন্ন কাজের বিভিন্ন সময়ে টাকা পয়সা লেনদেন সহ অসংখ্য ফোন রেকর্ড ও তার চক্রের সদস্যের দেয়া টাকা ছাড়াই ব্যাংকের চেক ও এ প্রতিনিধির হাতে তথ্য সংগ্রহ রয়েছে। এ চত্রুরা মানব পাচার মামলায় দুজন জেল হাজতে ছিলেন। পরে তারা জামিনে বের হয়ে পুরাতন পেশার কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছেন নিজাম ও জাবেদ।
এব্যাপারে সিলেটের ডিআইজি অফিসে কর্মকতা নাম প্রকাশ না শর্তে এ অভিযোগে প্রাপ্তি সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তদন্তপুবক ব্যবস্থা নেয়া হবে।