ইসরাফিল আহমেদ
স্টাফ রিপোর্টার।।
মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো ঈদ-উল-আজহা। সবচেয়ে বড় আয়োজনে ও ভাবগম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ-উল-আজহা পালন করা হয়। এবছরের ঈদ-উল-আজহা আর মাত্র কয়েকদিন বাকি।
সোমবার (২৬জুন) লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কোরবানিকে সামনে রেখে মানুষ কিনতে শুরু করেছেন ছুরি-চাকু-বটি, চাপাতি। আবার অনেকে একটু আগেভাগে দা, বটি, ছুরিসহ মাংস কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম শান দিয়ে দিচ্ছেন।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার তুষভান্ডার, চৌধুরীহাট, ভুল্লারহাট, দহগ্রাম, কালভোরভ, বুড়িহাট, চাপারহাট, চন্দ্রপুর, কাকিনা, কাজিরহাট, সোনারহাট, শিয়ালখাওয়া, সুঘানদিঘি, শান্তিগঞ্জ ইত্যাদি বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে কিছু কিছু কামারের দোকান আছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পেশাদার এসব কামাররা লোহা কিনে সেগুলোকে আগুনে পুড়ে দা, বটি, চাকু, চাপাতিসহ লোহার বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরি করছেন। তৈরিকৃত জিনিসপত্র দিয়ে নিজ নিজ দোকান সাজিয়ে রেখেছেন। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক ক্রেতা তাদের চাহিদা মোতাবেক কামারের দোকান থেকে জিনিস কিনছেন।
এ বিষয়ে চাপারহাট নৌকা মোড়ে অন্যতম (কামার) শ্রী জবা কর্মকার(৫৩) বলেন, আমি ৩০ বছর থেকে এ পেশায় আছি। আমার জীবনের পুরোটা সময় পার করেছি এসব কাজ করে। এক সময় আমাদের বেশ কদর ছিল, বর্তমানে তা আর নেই। এখন হাতে তৈরী জিনিসের কদর কমে গেছে। তাই সারাবছর তেমন কোন কাজ থাকেনা। তবে ধান কাটার মৌসুম ও কোরবানি উপলক্ষে আমাদের কাজের চাহিদা বেড়ে যায়। এসময় আমার দৈনিক এক হাজার টাকা থেকে ১৪০০ টাকা পর্যন্ত আয় হলেও, ব্যয় বাদে আমার হাতে থাকে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।